নিজস্ব প্রতিবেদক।। খুলনা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পদে ডা. মোঃ জহিরুল হককে দায়িত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মবিরতিতে গেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আমানুল ইসলাম স্বাক্ষরিত, গত ২৪ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশে বলা হয় মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক, ডা. এ বি এম সাইফুল আলম আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অবসরোত্তর ছুটিতে যাবেন। তাঁর শেষ কর্মদিবসে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক,ডা. মোঃ জহিরুল হকের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এরপর শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হলরুমে জরুরি বৈঠক শেষে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা স্বাচিবের কেন্দ্রীয় নেতা ও আজীবন সদস্য’ হিসেবে, উল্লেখ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হয়। এছাড়া তাদের দাবি, ২০২২ সালে এফসিপিএস সম্পন্ন করার পর, অল্প সময়ের মধ্যে তাকে গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে কর্মবিরতির প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে। দুপুরে মেডিসিন বিভাগের ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি দেখা যায়। দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নির্ধারিত চেয়ার-টেবিল ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সার্জারি ও অন্যান্য ওয়ার্ডেও কর্মবিরতির প্রভাব পড়ার কথা জানা গেছে।
এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে ভোগান্তি ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত সংকটের সমাধান করে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
তবে ইন্টার্নদের কর্মবিরতির মধ্যেও হাসপাতালের সরকারি চিকিৎসকরা নিয়মিত চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ডেঙ্গুর এই সময়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে, হাসপাতালে রোগীদের ব্যাপক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।