1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

দিঘলিয়ায় দশম শ্রেণির ছাত্রীকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

রিপোর্টারের নামঃ Admin
  • আপডেট টাইমঃ 15-09-2026 ইং
  • 16 বার পঠিত
ad728

এস.এম.শামীম, দিঘলিয়া।। খুলনার দিঘলিয়ায় সেনহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বেত দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা ফরিদা পারভীন দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদা পারভীন (৩২), স্বামী—মো. মাসুদ মোল্লা, সাং—ফরমাইশখানা (পূর্বপাড়া), ৭ নম্বর ওয়ার্ড, থানা—দিঘলিয়া, জেলা—খুলনা। তার মেয়ে মাসুমা (১৫) সেনহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। লিখিত অভিযোগে ফরিদা পারভীন উল্লেখ করেন, তার মেয়ে কয়েকদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিল। 

গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকালে প্রায় ৮টা ২ মিনিটের সময় সে বিদ্যালয়ে যায়। ক্লাসে যেতে দুই মিনিট দেরি হওয়ায় ক্লাস শিক্ষক মো: জসীম (৩৫) তাকে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে না দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো:শফিকুল ইসলাম মহতীনের কাছ থেকে অনুমতি আনতে বলেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মাসুমা চারতলা ভবন থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচতলায় এসে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে তার অসুস্থতার কথা জানায়। 

পরে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাকে শ্রেণিকক্ষের সামনে যেতে বলা হয়। এরপর মাসুমা আবার চারতলা ভবনে উঠে শ্রেণিকক্ষের সামনে দাঁড়ালে অভিযুক্ত শিক্ষক হাতে থাকা বেতের লাঠি দিয়ে তার হাতে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীর দাবি, বেতের আঘাতে মাসুমার দুই হাতে আঘাত লাগে এবং একপর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তার সহপাঠীরা তাকে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে নিয়ে যায়। শ্রেণিকক্ষে নেওয়ার পর মাসুমা অজ্ঞান হয়ে পড়ে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাটি বিদ্যালয় থেকে জানতে পেরে ফরিদা পারভীন দ্রুত বিদ্যালয়ে গিয়ে মেয়ের অবস্থা দেখেন এবং তাকে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার চিকিৎসা দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে ফরিদা পারভীন আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় দুই মাস আগেও তার মেয়েকে একইভাবে মারধর করেছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারী জানান, ঘটনার বিষয়ে পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। এ ঘটনায় ফরিদা পারভীন অভিযোগটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দিঘলিয়া থানা  পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Facebook Video
Facebook Video