দিঘলিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি।।খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটিতে অবস্থিত সাগর জুট স্পিনিং মিলস লিমিটেডের পানি নিষ্কাশনের নিজস্ব জায়গায় এবং মিল কর্তৃপক্ষে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ড্রেন স্থানীয় প্রভাবশালী বাড়িওয়ালা ও দখলদারদের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ড্রেন দখল করে আবাসন সম্প্রসারণ ও বিভিন্ন স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের কারণে কারখানার পানি এবং আশপাশের এলাকার বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
মিল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মিলের নিজস্ব এ ড্রেনের বিভিন্ন অংশ দখল করে অনেকেই বসতবাড়ির ময়লা পানি নিষ্কাশনের জন্য নিজ নিজ বাড়ির ময়লা বর্জ্য পানি সরাতে ব্যাবহার করছেন মিলের ড্রেন কয়েক হাজার পরিবারের ময়লা পানি এসে মিলের ড্রেনে মিসে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
আবার কেউ নির্মাণ করেছেন স্থায়ী স্থাপনা। ফলে ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ড্রেনের ওপর বা পাশ ঘেঁষে এমনভাবে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে পানি চলাচলের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মিল কর্তৃপক্ষের দাবি , ড্রেনের পানি চলাচল বন্ধ থাকায় বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
দীর্ঘ সময় জমে থাকা পানি মশার প্রজননস্থলে পরিণত হলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। সম্প্রতি ড্রেন পরিষ্কারের সময় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার বিষয়টি নজরে এলে দেখা যায়, একাধিক বাড়িওয়ালার দখলের কারণে ড্রেনের পানি চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ড্রেন টি কারখানার পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার বৃষ্টির পানি সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু দখল ও স্থাপনা নির্মাণের কারণে সেই ব্যবস্থা বর্তমানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামান্য বৃষ্টিতেই আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। এতে জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দখলের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই ড্রেনটি ধীরে ধীরে সংকুচিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করলেও তা বাঁধার মুখে পরে।
ফলে দখলদাররা আরও স্থায়ীভাবে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ পাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ বিষয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে ড্রেনের সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদ এবং পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ড্রেন পরিষ্কার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের দাবি, কারখানা কর্তৃপক্ষ, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিলে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বর্ষা মৌসুমে সেনহাটি এলাকায় জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও প্রকট হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা—জনস্বার্থে দ্রুত মিলের ড্রেনের অবৈধ দখলমুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করতে হবে।
বিভিন্ন বাড়ির ময়লা ও আবর্জনা সহ পানি এমনকি সেফটি ট্যাংকির ময়লা নিষ্কাশনের জন্য ব্যাবহার করা হয়েছে মিলের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ড্রেন যা কিনা এখন সবই বাড়িওয়ালাদের দখলে।
সরেজমিনে উক্ত মিলে গিয়ে শ্রমিকদের কাছে মিল কর্তৃপক্ষের বিষয়ে কোন অভিযোগ আছে কিনা বিষয়টি জানার জন্য অসংখ্য শ্রমিকদের সাথে কথা বললে
তারা জানান মিল কর্তৃপক্ষের সাথে তাদের কোন প্রকার কোন অভিযোগ বা কোন সমস্যা নেই ।
এমনকি উক্ত শ্রমিকরা জানান তাদের পারিশ্রমিক এবং বিল সময় মত কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করে আসছে। প্রশ্নের জবাবে সন্তোষ প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের কোন বকেয়া পাওনা নেই বলেও জানিয়েছেন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

