1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

যশোরে আল-আমিন হত্যা মামলায় ব্ল্যাক আলামিন আটক

রিপোর্টারের নামঃ Admin
  • আপডেট টাইমঃ 23-08-2026 ইং
  • 28 বার পঠিত
ad728

মোঃ জসিম উদ্দিন তুহিন, যশোর জেলা প্রতিনিধি।।  যশোর শহরের বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় স্বর্ণ কারিগর আল-আমিন হোসেন (২৯) হত্যা মামলায় মো. আলামিন ওরফে ব্ল্যাক আলামিন (৩১) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬।শহরের মনিহার মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে

মামলাও আদালতে দেওয়া পুলিশের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত আল-আমিন হোসেন পূর্ব বারান্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় স্বর্ণের কারিগর এবং যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণপট্টিতে তার একটি দোকান রয়েছে।পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রতিদিনের মতো বাসা থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হন আল-আমিন।

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দোকানে অবস্থানকালে তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে তাকে জানানো হয়, একজন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাকে হাসপাতালে নিতে হবে। এরপর দোকান থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, আল-আমিনকে হত্যা করে বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে তার মা আয়শা বেগম লিচুতলা মাদরাসার পেছনে বাবুর মেহগনি বাগানে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত আল-আমিনের সঙ্গে গ্রেপ্তার ‘ব্ল্যাক আলামিন’সহ কয়েক জনের পূর্ববিরোধ ছিল। ঘটনার আগে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতি, হুমকি ও ধমকির ঘটনাও ঘটেছিল বলে তদন্তে উঠেএসেছে।আদালতে দেওয়া পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ অনুযায়ী, পূর্ববিরোধের জেরে আলামিন ও তাঁর সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে আল-আমিনকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে চোখে-মুখে ঝালের গুঁড়া ছিটিয়ে, ইট দিয়ে আঘাত এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে থাকতে পারেন।পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মাথা, কান, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, নিহত আল-আমিনের সঙ্গে গ্রেপ্তার আলামিনের পূর্বশত্রুতা ছিল। ঘটনার কিছু সময় আগে ‘ব্ল্যাক আলামিন’ নিজেই আল-আমিনকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মো. আলামিনের বিরুদ্ধে যশোরের বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, মাদক, মারামারি, চুরি ও নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে আদালত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Facebook Video
Facebook Video